২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে বিফ হোটেলের যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল — ভোজন রসিকদের জন্য খাঁটি, তাজা ও অসাধারণ স্বাদের খাবার পরিবেশন করা।
🍛 বাংলাদেশের প্রথম বিফ কিমা বিরিয়ানি
বিফ কিমা বিরিয়ানি — এটি বিফ হোটেলের একটি অনন্য সংযোজন। গরুর লাল ভুনা ও কালো ভুনার পাশাপাশি এই ডিশটি দ্রুত গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে ওঠে। অনন্য স্বাদ ও ঘ্রাণে এটি খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পায়।
❤️ ভোজনরসিকদের ভালোবাসা
গরুর লাল ভুনা, কালো ভুনা ও বিফ কিমা বিরিয়ানি শুরু থেকেই ভোজনরসিকদের ব্যাপক সাড়া পায়। গত এক বছরে শত শত মণ তাজা গরুর মাংস দিয়ে তৈরি হয়েছে আমাদের এই আইটেমসমূহ—যা বিফ হোটেলকে দেশের অন্যান্য রেস্টুরেন্টের মাঝে একটি আলাদা পরিচয় দিয়েছে।
পাকিস্তানি স্বাদের ছোঁয়া
গ্রাহকদের ভালোবাসা ও সাড়া পেয়ে আমাদের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফারহান চৌধুরী পাকিস্তান থেকে আনেন ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন বাবুর্চিকে।
তার তৈরি পাকিস্তানি কুন্না নেহারি গ্রাহকদের মাঝে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। পাশাপাশি আমাদের মেনুতে রয়েছে:
পাকিস্তানি বিফ কোরমা
মাটন আকবরী বিরিয়ানি
পিউর সোনালী মুরগী রোস্ট
দেশী খাসির মেজবানি মাংস
জেলিমুক্ত বাগদা চিংড়ি
শাহী হাঁস ভুনা
🌿 আমাদের সাফল্যের রহস্য
অল্প সময়ে গ্রাহকের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের মূল কারণ হচ্ছে আমরা প্রতিদিন রাঁধা খাবারে ব্যবহার করি নিকখাঁটি উপকরণ:
তাজা গরুর মাংস
দেশী খাসির মাংস
পিউর সোনালী মুরগী
জেলিমুক্ত বাগদা চিংড়ি
খাঁটি মশলা, ঘি ও সরিষার তেল
এই উপকরণ ও নিখুঁত রান্নার মিশেলে তৈরি হয় এমন খাবার যা স্বাদে ও গুণে আলাদা—এবং গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জন করে।
বিফ হোটেল কেবল একটি রেস্টুরেন্ট নয়—এটি এক বিশ্বাসের নাম এবং খাঁটি স্বাদের প্রতিশ্রুতি। আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।